ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য যে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাগইনস অবশ্যই থাকতে হবে

wordpress plugins, wordpress plugin, importent wordpress plugins, ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন, ব্যাকআপ প্লাগইন, সিকিউরিটি প্লাগিন, ক্যাশ প্লাগইন, এস ই ও প্লাগইন, ইমেজ অপটিমাইজেশন প্লাগিন


ওয়ার্ডপ্রেসে বিভিন্ন কাজ সহজে করার জন্য কিছু  ছোট সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। এই সফটওয়্যার গুলো প্লাগিন্স নামে পরিচিত। প্লাগিন্স গুলি ব্যবহার করা খুবই সহজ। এটি ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে ইন্সটল করার মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়। নতুনদের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কিন্তু অনলাইনে ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য বিপুলসংখ্যক প্লাগিন আছে। আপনি একটি কাজ করার জন্য একাধিক প্লাগিন পেয়ে যাবেন। এইসব প্লাগিন থেকে বেস্ট প্লাগইন চেনার নানান উপায় ও রয়েছে। নিচে আপনাদের কাজের সুবিধার্থে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাগইন্স এর একটি রেকোমেন্ডেড লিস্ট তৈরি করলাম। এই প্লাগইন্স গুলো হাই কোয়ালিটি এবং ওয়েবসাইটকে স্লো করে না।

ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য যে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাগইনস অবশ্যই থাকতে হবে:

  • ব্যাকআপ প্লাগইন
  • সিকিউরিটি প্লাগিন
  • ক্যাশ প্লাগইন
  • এস ই ও প্লাগইন
  • ইমেজ অপটিমাইজেশন প্লাগিন

ব্যাকআপ প্লাগইন:

ওয়ার্ডপ্রেস এর হোস্টিং সেবা পরিবর্তন করতে অথবা ওয়ার্ডপ্রেস সমস্ত ডাটা নিরাপদে রাখার জন্য ব্যাকআপ প্লাগইন ইনস্টল করা প্রয়োজন। আপনি ম্যানুয়ালি এই কাজটি করতে পারবেন। তবে এটি অনেক সময় সাপেক্ষ এবং খুবই কষ্টকর। বিভিন্ন হোস্টিং প্রোভাইডারেরা ফ্রিতে এই সেবাটি দিয়ে থাকে। আপনি কখনো চাইবেন না যে আপনার ওয়েবসাইটটি নষ্ট হয়ে যাক। এজন্য ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যাকআপ প্লাগইন ইনস্টল করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ার্ডপ্রেস এর জন্য  বিভিন্ন ধরনের  ফ্রী ব্যাকআপ প্লাগইন অনলাইনে খুব সহজে পাওয়া যায়। এগুলো ডাউনলোড করে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট ইনস্টল করতে হবে।

wordpress plugins, wordpress plugin, importent wordpress plugins, ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন, ব্যাকআপ প্লাগইন, সিকিউরিটি প্লাগিন, ক্যাশ প্লাগইন, এস ই ও প্লাগইন, ইমেজ অপটিমাইজেশন প্লাগিন



সিকিউরিটি প্লাগিন:

ওয়ার্ডপ্রেস একটি সিকিউরড প্লাটফর্ম হলেও কিছু প্লাগিন যুক্ত করার মাধ্যমে এর সিকিউরিটি  আরো বৃদ্ধি করা সম্ভব। সিকিউরিটি প্লাগিন  ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটটিকে হ্যাকারদের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেন। এসব সিকিউরিটি প্লাগিন আপনার ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা জনিত ত্রুটি গুলোকে খুঁজে বের করে। আপনার ওয়েবসাইটটির নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এসব ব্যবহারের মাধ্যমে তা সহজে জানা যায়। এরকম কয়েকটি প্লাগিন হল:

  • WordFence plugins for wordpress
  • BulletProof Security plugins for wordpress
  • Sucuri Security plugins for wordpress
  • iThemes Security plugins for wordpress
  • 6Scan Security plugins for wordpress
  • All In One WP Security and Firewall plugins for wordpress

ক্যাশ প্লাগইন:

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হওয়ার জন্য ক্যাশিং সিস্টেম ইনস্টল করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাশিং + সাইট ওপ্টিমাইজেশন = ফাস্ট ওয়ার্ডপ্রেস সাইট। যদিও ওয়েবসাইটের স্পিড  হোস্টিং এর সাথে সম্পর্কযুক্ত তবুও ক্যাশ প্লাগইন ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের স্পিড বৃদ্ধি করা যায়। ক্যাশ প্লাগইন ব্যবহার করলে আপনার ওয়েবসাইটটি কেউ একবার ভিজিট করলে তা ব্রাউজারের মধ্যে জমা হয়ে থাকবে।পরবর্তিতে ঐ ব্যক্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে ওয়েবসাইট এর ফাইলগুলো সেখান থেকে লোড হবে। কয়েকটি বেস্ট ক্যাশ প্লাগইন এর নাম নিচে দেওয়া হল:
  • WP Rocket
  • WP Super Cache
  • WP Fastest Cache
  • Comet Cache
  • Hyper Cache
 এস ই ও প্লাগইন:

প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের জন্য এস ই ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ার্ডপ্রেসের যাবতীয় এস ই ও করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্লাগিন পাওয়া যায়। এসব প্লাগিন ব্যবহার করার মাধ্যমে খুব সহজে ওয়েবসাইটের এস ই ও করা যায়। এসব প্লাগিন আপনার ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিন ইনডেক্স করার জন্য প্রস্তুত করে তোলে। আপনার ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনে খুঁজে পেতে সাহায্য করে এরকম কয়েকটি এস ই ও প্লাগিন হচ্ছে:

  • Yoast SEO
  • SEMRush
  • All in One SEO Pack
  • Rank Math
  • The SEO Framework
  • Easy Table of Contents

ইমেজ অপটিমাইজেশন প্লাগিন:

 শুধু ক্যাশিং ব্যবহার করে ওয়েবসাইটকে ফার্স্ট করা সম্ভব নয় ইমেজ অপটিমাইজেশন অনেক জরুরী। ইমেজ অপটিমাইজেশন প্লাগিন ব্যবহার করলে ছবির আকার ছোট হয়ে যায় যার ফলে  ওয়েবসাইটের পেজ দ্রুত লোড হয়। ইমেজ অপটিমাইজেশন প্লাগিন ব্যবহার করলে হোস্টিং এর উপর চাপ কম পড়ে। ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবি আকার বড় হলে ওয়েবসাইটের গতি কমিয়ে দেয়। ইমেজ অপটিমাইজেশন প্লাগিন এসব ছবি আকার ছোট করে ফলে ওয়েবপেজগুলো আরো ফাস্ট লোডিং হয়। ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের জন্য ইমেজ অপটিমাইজেশন প্লাগিন ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।   কয়েকটি ইমেজ অপটিমাইজেশন প্লাগিন এর নাম হল:

  • Optimole
  • EWWW Image Optimizer
  • Imagify
  • Smush Image Compression and Optimization
  • ShortPixel Image Optimizer
  • Compress JPEG & PNG images by TinyPNG

এই ছিল আমাদের নির্বাচন করো কিছু প্লাগিন্স ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন। আরো জানার জন্য আমাদের সাথে থাকুন আমাদের ওয়েবসাইটটিতে ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন সম্পর্কে কোন কিছু জানার থাকলে  কমেন্ট বক্সে যোগাযোগ করুন।

কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর ১০ টি কৌশল

speed up computer free, speed up pc software,speed up windows 10 software, tips to speed up your pc, কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর ১০ টি কৌশল,কম্পিউটারের গতি বাড়ান,কম্পিউটারের গতি,


কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর ১০ টি কৌশল:

আমাদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষ উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর একটি বৈশিষ্ট্য হলো সময়ের সাথে সাথে এর গতি ধীর হয়ে যায়। তখন কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করি। এটা অনেক ব্যয় সাপেক্ষ এবং কম্পিউটার থেকে অনেক প্রয়োজনীয় তথ্য মুছে যায়। আজকে আমি আপনাদের সাথে এমন ১০ টি টিপস শেয়ার করব যার মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিউটারের গতি কে বৃদ্ধি করতে পারবেন।

টেম্পরারি ফাইল ডিলিট করে:

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের টেম্পরারি ফাইল তৈরি হয়। এস ফাইল ধীরে ধীরে কম্পিউটারের টেম্পরারি ফোল্ডারে জমা হতে থাকে এবং কম্পিউটারের গতিকে ধীর করে তোলে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কম্পিউটারের রান অপশনে temp, prefetch, %temp% এবং recent টাইপ করতে হবে তারপর এন্টার প্রেস করতে হবে, ফোল্ডার গুলো ওপেন হবে এবং ফোল্ডার এর যাবতীয় ফাইলগুলোকে সিলেক্ট করে মুছে ফেলতে হবে। ডিলিট করার সময় ইউজার পারমিশন চাইতে পারে পারমিশন দিয়ে দিন।  এই ফাইলগুলো কম্পিউটারের কার্যদক্ষতাকে কমিয়ে দেয় তাই এসব  ফাইল ডিলেট করে আপনার কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে পারেন।

নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ  করা:

কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম পুনরায় ইন্সটল করতে পারেন। কম্পিউটার ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত হলে কম্পিউটারের গতি কমে যায় এই অবস্থা থেকে কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম পুনরায় ইন্সটল করতে হবে। অপারেটিং সিস্টেম পুনরায় ইনস্টল করলে কম্পিউটার থেকে এসব ক্ষতিকর ভাইরাস সহজে দূর হয়ে যায়। তবে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা অনেক সময় সাপেক্ষ এবং কষ্টকর ব্যাপার তবে কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধির জন্য এটি একটি অন্যতম পদ্ধতি।

কম্পিউটার পরিষ্কার করে:

 কম্পিউটার দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করলে মাদারবোর্ড এরমধ্যে ধুলোবালি জমতে থাকে। কম্পিউটারের জন্য ধুলোবালি খুবই ক্ষতিকর এবং কম্পিউটারের গতিকে ধীর করে তোলে। ধুলোবালি কম্পিউটার এর জন্য এটি খুবই ভয়ানক এবং ৫০-৭০% পর্যন্ত গতি কমিয়ে দেয়। এজন্য নিয়মিত কম্পিউটার পরিষ্কার করতে হবে। কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেমন মাদারবোর্ড, র‍্যাম, সিপিউ এর কুলিং ফ্যান, পাওয়ার সাপ্লাই পরিষ্কার নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত। তবে কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ পরিষ্কারের সময় অনেক সতর্ক থাকতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় কোন সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে পরিষ্কার করা।

কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করে:

কম্পিউটারের গতি কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের উপর নির্ভর করে। আপনি চাইলে প্রসেসর, র‍্যাম পরিবর্তন করে কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে পারেন। তবে প্রসেসর, র‍্যাম পরিবর্তন ব্লক করতে হবে যেন আপনার কম্পিউটারের মাদারবোর্ডটি উক্ত প্রসেসর, র‍্যাম  গুলোকে সাপোর্ট করে। অনেক সময় সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার এর কম্বিনেশন ঠিক না থাকায় পিসি স্লো হয়ে যায়। যেমন, এন্ড্রয়েড স্টুডিও ওপেন করলে ৪জিবি র‍্যাম এর কম্পিউটারে আপনি অন্য কোন কাজ করতে পারবেন না। আবার র্যা ম যদি এর থেকেও কম হয় তাহলে ভার্চুয়াল ইমুলেটর চালাতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে কনফিগারেশন এর সাথে সফটওয়্যার এর কম্বিনেশন ব্যালেন্স করে কম্পিউটার স্পিড বাড়াতে পারেন।

সফটওয়্যার আপডেট এর মাধ্যমে:

অনেক সময় কম্পিউটারে ব্যবহৃত সফটওয়্যার গুলো আপডেট না দেওয়ার কারণে কম্পিউটারের গতি কমে যায়। এজন্য কম্পিউটারে ব্যবহৃত সফটওয়্যার গুলো আপডেট আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে। আপডেট করা না থাকলে সফটওয়্যার গুলোকে আপডেট করে নিতে হবে। যেসব সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় না সেসব সফটওয়্যার রিমুভ করতে হবে। যেমন: আগে হয়ত কোন ওয়েব সাইট শুধু টেবিল দিয়ে ডিজাইন করা ছিল, যেটা এখন জাভাস্ক্রিপ্ট, PHP এ আপডেট করা হয়েছে। এখন আপনার ব্রাউজার যদি পুরাতন হয় তাহলে এই ওয়েব সাইট লোড হতে সময় লাগবে অনেক ক্ষেত্রে লোড হতে পারবে না। একই ভাবে অন্য সফটওয়্যার গুলো  আপডেট করার মাধ্যমে কম্পিউটার এর স্পিড  বাড়ানো যায়।

 স্টার্টআপ প্রোগ্রাম কমানোর মাধ্যমে:

আমরা কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকি। অনলাইন সফটওয়্যার কম্পিউটার অন করার সাথে সাথে রান হয়ে থাকে। সফটওয়্যার রান হলে কম্পিউটারের র‍্যাম দখল করে এবং কম্পিউটারের স্পিড কমিয়ে দেয়। এজন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ছাড়া অন্য সকল সফটওয়্যার যাতে কম্পিউটার অন হওয়ার সাথে সাথে রান হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। প্রয়োজনে সফটওয়্যার গুলোকে সেখান থেকে রিমুভ করতে হবে।

অপারেটিং সিস্টেমের জন্য SSD  হার্ডডিস্ক ব্যবহার করে:

HDD এর তুলনায় SSD হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুত কাজ করে। পূর্বের সকল কম্পিউটারের মধ্যে HDD  হার্ডডিস্ক ব্যবহার করা হতো, কিন্তু বর্তমানে দ্রুত কাজ করার জন্য কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য SDD  হার্ডডিস্ক ব্যবহার করা হয়। HDD এর তুলনায় SDD মূল্য অনেক বেশি এজন্য শুধু অপারেটিং সিস্টেমের জন্য SDD  হার্ডডিস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। HDD তুলনায় SDD ৭০-৮০ ভাগ দ্রুত কম্পিউটার চালনা করতে পারে।

ভাইরাস চেক করার মাধ্যমে:

কম্পিউটারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস। কোন কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে কম্পিউটারের গতিকে অনেক ধীর করে দেয়। কম্পিউটার যেন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত না হয় সেজন্য ব্যবস্থা করতে হবে। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উইন্ডোজ ডিফেন্ডার নিয়মিত আপডেট দিতে হবে। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবে। কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য এই পোস্টটি দেখতে পারেন।

বিভিন্ন ধরনের টুলস ব্যবহার করে:

 কম্পিউটারের স্পিড বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের টুলস পাওয়া যায়। এসব টুলস কম্পিউটারের টেম্পোরারি ফাইলগুলো ডিলেট করে কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তবে অনেক ক্ষেত্রে  এসব টুলস ক্রয় করতে অর্থ ব্যয় করতে হয়। নিচে কয়েকটি টুলস  এর নাম দেওয়া হল:

  • Tune Up Utility,
  • Ccleaner,
  • Advanced System Optimizer,
  • WinZip System Utilities Suite,
  • PC Booster,
  • Avast Clean Up,
  • CleanMyPC,

Performance troubleshooter  ব্যবহার করে:

 বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম প্রোভাইডাররা Performance troubleshooter প্রোগ্রাম দিয়ে থাকে। এই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে কম্পিউটারের সমস্যা সহজে সমাপ্ত করা সম্ভব।  Performance troubleshooter প্রোগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার সমস্যাগুলোকে  শনাক্ত করে সমস্যাগুলোর সমাধান করে কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করা যায়।

উপরের দেওয়া টিপসগুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে পারবেন। কোন সমস্যা হবে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে যোগাযোগ করবেন। আমি  উত্তর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করব। ভালো লাগলো পোস্টটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।