ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচনের বিষয়বস্তু কাজে লাগবেই

ওয়ার্ডপ্রেস থিম, ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচনের বিষয়বস্তু, ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস থিম, Wordpress theme, নতুন ওয়ার্ডপ্রেস থিম,ওয়ার্ডপ্রেস, থিম, ওয়ার্ডপ্রেস থিম ২০২০, ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট


বর্তমান সময়ে প্রত্যেক মানুষ ইন্টারনেটের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত আছে। মানুষ যে পেশায় থাকুক না কেন একটি ওয়েবসাইট থাকা খুবই জরুরী। মানুষের ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে। ওয়ার্ডপ্রেস তার মধ্যে অন্যতম। ওয়ার্ডপ্রেসে তৈরিকৃত সাইটের চেহারা পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরনের ওয়ার্ডপ্রেস থিম পাওয়া যায়। ওয়ার্ডপ্রেস থিম প্রধানত দুই প্রকার পেইড ও ফ্রী। আপনি আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী পেইড অথবা ফ্রি যেকোনো ধরনের থিম দিয়ে ব্লগিং শুরু করতে পারেন।

আপনি প্রায়ই ওয়ার্ডপ্রেস থিম জগতে মন্তব্য শুনতে পাবেন যে, ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস থিম গুলি ঝুঁকিপূর্ণ কারণ সেগুলি প্রফেশনাল ভাবে সমর্থিত নয়, বা সেগুলি কখনও কখনও অপেশাদার ব্যবহারকারীরা ডিজাইন করেন। আর কিছু ক্ষেত্রে এটি সত্য, সুতরাং আপনার  এজন্য আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ফ্রী ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সর্বোপরি, কোনও প্রিমিয়াম থিমের সাথে ফ্রী ওয়াডপ্রেস থিমের মূল পার্থক্য হল প্রিমিয়াম ওয়াডপ্রেস থিমে টেকনিক্যাল সাপোর্ট পাওয়া যায় যা ফ্রী ওয়াডপ্রেস থিমে পাওয়া যায় না।

 ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচনের বিষয়বস্তু:


 মোবাইল রেস্পন্সিভ:

মোবাইল রেস্পন্সিভ থিমগুলি বিভিন্ন ডিভাইজের ডিসপ্লের আকার পরিবর্তনের সাথে সাথে পেইজের আকার পরিবর্তন করে ফেলে। ফলে ওয়েবসাইটটি সুন্দর ভাবে প্রদর্শিত হয়। গুগল তাদের মোবাইল অনুসন্ধান ফলাফলের শীর্ষে মোবাইল বান্ধব ওয়েবসাইটগুলি দেখায়। বেশিরভাগ ওয়ার্ডপ্রেস থিম গুলি ডিফল্টরূপে ইতিমধ্যে মোবাইল রেস্পন্সিভ। তবে এখনও এমন বিক্রেতারা রয়েছেন যারা স্থির প্রস্থের লেআউটগুলি বিক্রি করছেন, যা মোটেই মোবাইল বান্ধব নয়। আপনার ওয়েবসাইটের জন্য আপনি যে থিমটি বেছে নিচ্ছেন তা মোবাইল বান্ধব কিনা তা নিশ্চিত করুন। মোবাইল প্রস্তুতির জন্য একটি থিম পরীক্ষা করা কোনও থিম  মোবাইল রেস্পন্সিভ কিনা তা যাচাই করার সহজতম উপায় হ'ল আপনার ব্রাউজারের স্ক্রিনটিকে পুনরায় আকার দিন। আপনি যখন নিজের ব্রাউজারের স্ক্রিনটিকে আকার পরিবর্তন করবেন, আপনি লক্ষ্য করবেন যে থিমের বিন্যাসটি নিজেকে স্ক্রিনের প্রস্থে সামঞ্জস্য করবে।


ওয়ার্ডপ্রেস থিম, ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচনের বিষয়বস্তু, ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস থিম, Wordpress theme, নতুন ওয়ার্ডপ্রেস থিম,ওয়ার্ডপ্রেস, থিম, ওয়ার্ডপ্রেস থিম ২০২০, ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট


প্রফেশনাল লুক:

আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের থিম নির্বাচনের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আপনার  ওয়েবসাইটটি প্রফেশনাল মানের হয়। অনেক ফ্রি থিম ব্যবহার করেও প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট ডিজাইন করা যায়, এ দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

সরল লেআউট:

অনেক ওয়ার্ডপ্রেস থিম প্রচুর রঙ, জটিল লেআউট, অ্যানিমেশন ইত্যাদির সাথে আসে কখনও কখনও আপনার এই জিনিসগুলির প্রয়োজন হতে পারে তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনার সত্যিকার অর্থে সমস্ত প্রয়োজন নেই।

 ব্রাউজারের সমর্থন:

আপনার ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ব্রাউজার ব্যবহার করবেন। আপনার থিমটি আপনি যে ব্রাউজারটি ব্যবহার করছেন তাতে নিখুঁত দেখাতে পারে তবে অন্য ব্রাউজারগুলিতে কিছু ভেঙে যেতে পারে। এটি যেখানে ব্রাউজারের সামঞ্জস্যতা আসে, বেশিরভাগ ওয়ার্ডপ্রেস থিম ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের সামঞ্জস্যতা পরীক্ষার সরঞ্জামগুলি ব্যবহার করে তাদের থিমগুলি কঠোরভাবে পরীক্ষা করেন।

তারা স্পষ্টতই তাদের ওয়েবসাইটে এটি উল্লেখ করতে পারে। তবে যদি তা না হয় তবে আপনি সর্বদা বিভিন্ন ব্রাউজার যেমন গুগল ক্রোম, ফায়ারফক্স, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, সাফারি ইত্যাদিতে থিমটি পরীক্ষা করতে কিছু বেসিক পরীক্ষা চালাতে পারেন পাশাপাশি মোবাইলে বিভিন্ন ব্রাউজারে পরীক্ষা করতে ভুলবেন না।


ওয়ার্ডপ্রেস থিম, ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচনের বিষয়বস্তু, ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস থিম, Wordpress theme, নতুন ওয়ার্ডপ্রেস থিম,ওয়ার্ডপ্রেস, থিম, ওয়ার্ডপ্রেস থিম ২০২০, ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট


 থিমের স্পিড:

থিমের উপর কোন ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড নির্ভর করে থাকে। এইজন্য থিম নির্বাচনের সময় এ বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে  স্পিড টেস্ট করা যায়। অনেক থিমে ভারী ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহার করা হয় যার ফলে ওয়েবসাইটের স্পিড কমে যায়।

সমর্থিত প্লাগইন:

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের আসল শক্তি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন এর সঙ্গে আসে। এই প্লাগইনগুলি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটটি দিয়ে আপনার পক্ষে কিছু করা সম্ভব করে তোলে। ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য বিভিন্ন ধরনের ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন রয়েছে। গ্র্যাভিটি ফর্ম, ইয়োস্ট এসইও , ক্যাশ ইত্যাদি,আপনার ওয়ার্ডপ্রেস থিম সমস্ত জনপ্রিয় প্লাগইন সমর্থন করে তা নিশ্চিত করুন। আপনি যদি অনিশ্চিত হন তবে থিম বিকাশকারীকে এটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন।


ওয়ার্ডপ্রেস থিম, ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচনের বিষয়বস্তু, ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস থিম, Wordpress theme, নতুন ওয়ার্ডপ্রেস থিম,ওয়ার্ডপ্রেস, থিম, ওয়ার্ডপ্রেস থিম ২০২০, ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট



যেকোনো ভাষায় ব্যবহার উপযোগী এবং অনুবাদ:

অনেক ওয়েব সাইটে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হয় না। আপনি যে ওয়ার্ডপ্রেস থিমটি সিলেক্ট করবেন তা যেন আপনার কাঙ্ক্ষিত ভাষায়  ভালোভাবে কাজ করে তা নিশ্চিত হতে হবে। আপনার কাঙ্খিত ওয়ার্ডপ্রেস থিমটিতে অনুবাদ সমর্থন করে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।

পেজ তৈরি:

ওয়ার্ডপ্রেসে পেজ তৈরি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্লাগিন পাওয়া যায়। ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচনের জন্য নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস থিমটি এসব প্লাগিন সমর্থন করে কিনা। অনেক ওয়ার্ডপ্রেস থিমে এসব প্লাগিন পূর্ব থেকে ইনস্টল করা থাকে।

এসইও ফ্রেন্ডলি:

আপনার ওয়ার্ডপ্রেস থিম আপনার সাইটের এসইও এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসইও একটি ওয়েবসাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এটি আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে  খুঁজে পেতে সাহায্য করে। তাই ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচনের ক্ষেত্রে এসইও গুরুত্বপূর্ণ  ভূমিকা পালন করে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস  থিমটি ফ্রেন্ডলি কিনা তা যাচাই করতে  হবে।

রেটিং:

 ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচনের পূর্বে থিমের রেটিং যাচাই করতে হবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে থিমের উপর রেটিং প্রদান করা হয়। এই রেটিং এর সাহায্যে আপনি বুঝতে পারবেন থিমটি ভালো না খারাপ। এখানে যে কোন থিম ১ থেকে ৫ পর্যন্ত রেটিং করা হয়। রেটিং দেখে আপনি সহজে ভালো থিমটি নির্বাচন করতে পারবেন।

আমাদের সুপারিশ:

 আপনি যদি পেইড থিম সাথে তুলনা করেন, অথবা আপনার পেইড থিম কেনার সামর্থ্য থাকে তাহলে পেইড থিম কেনাই ভালো। কিন্তু অনেকে আছে যারা ফ্রিতে ব্লগিং শুরু করতে চায় তাদের জন্য ফ্রি থিম দিয়ে শুরু করাই ভালো। ইন্টারনেটে অনেক সাইটে পেইড থিমগুলোর ক্রাক ভার্শন দেওয়া থাকে। এসব থিম ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ এতে হ্যাকিং স্ক্রিপ্ট বা বিভিন্ন ধরনের অ্যাড যুক্ত থাকে। এই থিম ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট খুব সহজেই হ্যাকিংয়ের শিকার হতে  পারে।

প্রতিদিন নতুন নতুন ওয়ার্ডপ্রেস থিম তৈরি হচ্ছে। এইসব সম্পর্কে জানার জন্য আমাদের সাথে থাকুন। আমরা বিনামূল্যে এসব থিমের তালিকা প্রকাশ করি। ওয়ার্ডপ্রেস থিম সম্পর্ক কিছু জানার থাকলে আমাদেরকে কমেন্ট করুন।

অনলাইনে আয় ১০০% কার্যকরী মাধ্যম

অনলাইনে আয়, অনলাইন ইনকাম, অনলাইনে আয় বিকাশে পেমেন্ট, মোবাইলে অনলাইনে আয়, অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়,অনলাইন ইনকাম সাইট, অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় , অনলাইনে আয় ২০১৯, কিভাবে অনলাইনে আয় করা যায়


অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন মাধ্যম:

ইন্টারনেট আমাদের জীবনযাত্রাকে অনেক সহজ করে তুলেছে। ইন্টারনেট আমাদের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। এর ফলে মানুষ অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এসকল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মানুষ সহজে অর্থ উপার্জন করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে সঠিক প্ল্যাটফর্ম বাছাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যে বিষয়ে দক্ষ অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য সেই প্লাটফর্ম কে বাছাই করতে হবে। তাহলে জীবনে সফলতা অর্জন করা সম্ভব।

অনলাইনে ইনকাম করতে গেলে অনেক সময় প্রতারণার মুখে পড়তে হয়। অনলাইনে আয় করে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোন সুযোগ নেই। ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। নিচে অনলাইনে আয়ের নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্মগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হল। আপনার সুবিধা মত যে কোন প্ল্যাটফর্ম বাছাই করে ধৈর্যের সাথে পরিশ্রম করলে  অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।

ফ্রিল্যান্সিং:

অনলাইনে আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হল ফ্রিল্যান্সিং। বিভিন্ন ওয়েবসাইট দক্ষতার ভিত্তিতে ফ্রিল্যান্সারদের বিভিন্ন ধরনের কাজ দিয়ে থাকে। ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতা অনুসারে বিভিন্ন কাজের জন্য আবেদন করতে হয়। এরকম কয়েকটি সাইট হল:



 এ সকল ওয়েবসাইট থেকে ঘন্টায় ৫ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করা সম্ভব। কাজ সম্পাদন করার পর  ক্লাইন্টের যদি কাজ কি পছন্দ হয় তবে তারা পেমেন্ট করে থাকে এবং তারা ফ্রিল্যান্সারদের বিভিন্ন ধরনের রেটিং প্রদান করে থাকে। এসব রেটিং তাড়াতাড়ি কাজ পাওয়ার জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এসব রেটিং এর মাধ্যমে একজন ফ্রিল্যান্সারের দক্ষতা অনুমান করা যায়। এখানে ফ্রিল্যান্সার তার সুবিধামতো সময়ে ক্লায়েন্টের কাছ থেকে কাজ নিতে পারে এবং কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারে।

অনলাইনে আয়, অনলাইন ইনকাম, অনলাইনে আয় বিকাশে পেমেন্ট, মোবাইলে অনলাইনে আয়, অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়,অনলাইন ইনকাম সাইট, অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় , অনলাইনে আয় ২০১৯, কিভাবে অনলাইনে আয় করা যায়


নিজের ওয়েবসাইট তৈরি:

নিজের একটি ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য একটি ডোমেইন এবং একটি হোস্টিং সার্ভার প্রয়োজন। যে কেউ বাৎসরিক একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের মাধ্যমে এসব সেবা নিতে পারে ওয়েবসাইট তৈরি করে তাতে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ করতে হবে। যখন ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসতে শুরু করবে তখন বিভিন্ন অ্যাড নেটওয়ার্কের অ্যাড ব্যবহার করে ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা সম্ভব। এক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য অ্যাড নেটওয়ার্ক বাছাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এইরকম একটি নির্ভরযোগ্য এড নেটওয়ার্ক হল গুগল অ্যাডসেন্স। এছাড়াও আরও অনেক ধরনের অ্যাড নেটওয়ার্ক রয়েছে আপনার ওয়েবসাইটে এসকল অ্যাড নেটওয়ার্কের অ্যাড প্রদর্শন করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে আয় করা সম্ভব।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং:

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। অনলাইনে অনেক প্রতিষ্ঠান পণ্য বা সেবা বিক্রি করে থাকে। কেউ যদি তাদের এসব পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে সহায়তা করে তাহলে বিক্রয় কৃত অর্থের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিক্রয়কারীকে দেওয়া হয়। আর যে পদ্ধতিতে  অন্যের পণ্য বা সেবা বিক্রি করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায় তাকে আফিলিয়েট মার্কেটিং বলে।   বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট এসব সুবিধা দিয়ে থাকে নিচে কিছু নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইটের নাম দেওয়া হল:


  • Amazon Affiliates
  • eBay Affiliates
  • Clickbank Affiliates
  • Leadpages Partner Program Affiliates
  • ShareASale Affiliates


অনলাইনে আয়, অনলাইন ইনকাম, অনলাইনে আয় বিকাশে পেমেন্ট, মোবাইলে অনলাইনে আয়, অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়,অনলাইন ইনকাম সাইট, অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় , অনলাইনে আয় ২০১৯, কিভাবে অনলাইনে আয় করা যায়




গ্রাফিকস ডিজাইন:
গ্রাফিক ডিজাইন হল ঘরে বসে অনলাইনে আয়ের একটি শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। ফ্রিল্যান্সিং বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এ  কাজ দিয়ে থাকে। গ্রাফিক্স ডিজাইন থেকে অর্থ উপার্জন এর জন্য অনেক দক্ষ কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লোগো, পণ্যের ছবি, ভিজিটিং কার্ড ইত্যাদি তৈরি করে অর্থ উপার্জন করা যায়। অনলাইনে গ্রাফিক ডিজাইন এর অনেক চাহিদা রয়েছে। যে কেউ পেশাগতভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইনকে নিতে পারেন।



ওয়েব ডিজাইন:

অনলাইনে আয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো ওয়েব ডিজাইন। এখন যে কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্রান্ডের জন্য একটি ওয়েবসাইট  থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এসব ওয়েবসাইটের ডিজাইন তৈরি করে অনলাইন থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। অনেকে ওয়েবসাইট ডিজাইন কে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে। একটি ওয়েব ডিজাইন এর কাজে ২০০০ থেকে ১০০০০০ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করা সম্ভব। সব ব্যবসায়ী প্রযুক্তিতে অভিজ্ঞ নয় এজন্য তারা তাদের ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইট তৈরী করতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে আর একজন ফ্রিল্যান্সার ওয়েবসাইট ডিজাইন করে অনলাইন থেকে প্রচুর অর্থ ইনকাম করতে পারে।

ইউটিউব:

বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় অনলাইনে আয়ের প্ল্যাটফর্ম হলো ইউটিউব। ইউটিউবে নতুন ভিডিও আপলোড করে তা থেকে ইনকাম করা সম্ভব।  ইউটিউবে একটি চ্যানেল খুলতে হবে তারপর চ্যানেলটিকে এডসেন্সের মাধ্যমে মনিটাইজ করতে। হবে আপনার আপলোডকৃত ভিডিও দেখার সময় তাদের বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে। এই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলেন আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। এই টাকা আপনি মাস্টার কার্ড অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে উত্তোলন করতে পারবেন। ইউটিউব থেকে অনলাইনে আয়ের জন্য মোটামুটি ধরনের ভিডিও এডিটিং জ্ঞান এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে কাজ শুরু করা যায়।

ডেটা এন্ট্রি:

অনলাইনে সহজ কাজ গুলোর একটি হচ্ছে ডাটা এন্ট্রির কাজ। বাইরের দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ডাটা এন্ট্রি কাজ দিয়ে থাকে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম থেকে এসব কাজ নিতে হয়। এই কাজগুলো সাধারণত ছবি থেকে লেখা, পিডিএফ থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে তথ্য প্রদান করা, ইন্টারনেটে বিভিন্ন  বিষয় অনুসন্ধান করে এই ধরনের হয়ে থাকে। তবে ডাটা এন্ট্রির জন্য অনেক ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি হয়েছে কাজ শুরু করার পূর্বে প্ল্যাটফর্ম সম্পর্ক সচেতন থাকতে হবে।

অনলাইনে আয়, earn money from online, অনলাইনে অর্থ উপার্জনের বিভিন্ন মাধ্যম, ফ্রিল্যান্সিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং,


পিটিসি:

পিটিসি সাইটের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। তবে বেশিরভাগ ভুয়া হয়ে থাকে এবং সময় মত পেমেন্ট করে না। তাই এইসব সাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আয়ের চিন্তা না করাই ভালো। তবে অনেক পিটিসি সাইট আছে যারা ঠিক মত পেমেন্ট দিয়ে থাকে। এসব ওয়েবসাইট অ্যাড দেখার মাধ্যমে টাকা দিয়ে থাকে।

ব্লগিং:

অনেকে শখের বসে ব্লগ সাইট তৈরি করে। কিন্তু এই ব্লগ সাইটটিকে পেশাগত কাজে ব্যবহার করলে তা থেকে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আপনি ফ্রিতে ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে প্রবেশ ফ্রিতে ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। এইসব ব্লগে কাস্টম ডোমেইন অ্যাড করে প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। ব্লগার এ কিভাবে কাস্টম ডোমেইন করবেন তা জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন। এটা অনেকটা ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে অনলাইনে আয়ের মত।

কনটেন্ট রাইটিং:

কনটেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। লেখালেখিতে অভিজ্ঞ এবং ইংরেজিতে দক্ষ কনটেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে একটি আর্টিকেল এর মাধ্যমে ৫ থেকে ৫০ডলার পর্যন্ত ইনকাম করতে পারেন। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম কনটেন্ট রাইটিং এর ভালো কদর রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম:

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনলাইনে আয়ের একটি অন্যতম প্লাটফর্ম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার পণ্য বা সামগ্রী সহজে বিক্রি করা যায়। এসব ওয়েবসাইটে যোগাযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্য সামগ্রীর ভিডিও তৈরি করে তার ভাল দিকগুলো জনগণের কাছে তুলে ধরা হয় এবং আগ্রহী ব্যক্তিরা ওই সকল পণ্য কিনতে আগ্রহী হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোন জনপ্রিয় পেজ থাকলে সেখানে বিভিন্ন অ্যাড প্রদর্শনীর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায়।

অনলাইন টিউটর:

ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন আপনি ঘরে বসে যে কোন বিষয়ে শিক্ষা অর্জন করতে পারবেন। আপনি যদি কোন বিষয়ে দক্ষ থাকেন তাহলে সেই বিষয়ে টিউটোরিয়াল তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করতে পারবেন। আপনার টিউটোরিয়াল যদি মানুষের পছন্দ হয় তাহলে তা বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

ভার্চ্যুয়াল সহকারী:

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে কাজের সুবিধার জন্য ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট রাখে। আউটসোর্সিং প্ল্যাটফর্ম থেকে এই কাজটি খুব সহজে পাওয়া যায়। এই কাজটি এসিস্টেন্ট এর কাজের মত।

জরিপ, সার্চ ও রিভিউ:

অনলাইনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যসামগ্রী, পেজ বা  অ্যাপ লাইক শেয়ার কমেন্ট  বা রিভিউ প্রদানের জন্য অর্থ খরচ করে থাকে। আপনি খুব সহজে এ কাজগুলো করার মাধ্যমে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

অনুবাদ:

ইংরেজির পাশাপাশি অন্য ভাষায় দক্ষ হলে সে দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। ইংলিশ, স্পানিশ, চাইনিজ, রুশ, আরবি, ইত্যাদি ভাষায় অনুবাদের কাজ করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।

অনলাইন থেকে কিভাবে টাকা তুলব:

আপনি যদি নির্ভরযোগ্য কোন প্লাটফর্ম থেকে কাজ নিয়ে তা সম্পূর্ণভাবে সম্পাদন করেন তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। নিচে অর্থ উত্তোলনের জনপ্রিয় কিছু  মাধ্যম  আলোচনা করা হলো:

  • পেপাল
  •  ব্যাংক ট্রান্সফার 
  • পেওনিয়ার 
  • মানিবুকারস্ 
  • পেইজা

আজকে এই পর্যন্ত, আপনাদের  অনলাইনে আয়ের  বিষয়ে যদি কোন কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন আমি উত্তর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করব।

কিভাবে ব্লগে কাস্টম ডোমেইন সেটআপ করবেন

.com, .info, .net, Domain, get free domain for blogger, how to add custom domain to blogger 2020, blogger dns nameservers, hosting blogspot, how to redirect blogger to custom domain



কিভাবে ব্লগে কাস্টম ডোমেইন সেটআপ করবেন:


বেশিরভাগ লোকেরা বিনামূল্যে ব্লগস্পট দিয়ে তাদের ব্লগ / ওয়েবসাইট দিয়ে শুরু  করেন।  কারণ আপনি এখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য সীমাহীন স্টোরেজ এবং ব্যান্ডউইথ পাবেন। ব্লগস্পটে আপনি সীমাহীন  ব্যান্ড উইথ  পেলেও আপনি গুগল থেকে একটি সাবডোমেন পাবেন আর এর জন্য সাবডোমেন এর স্থানে আপনার নিজস্ব ডোমেন ব্যবহার করতে হবে।

আমাদের কাস্টম ডোমেন থাকা দরকার কেন ?

সাধারণত, ব্লগস্পট প্রায়শই স্প্যামারদের দ্বারা ছাপিয়ে যায়। আপনি যখন নিজের ডোমেনটি সোশ্যাল মিডিয়ায় উপস্থাপন করেন, তখন কোনও ডোমেন নাম রাখা ভাল। বিশ্বাসযোগ্যতার কথা বলার সময় বেশিরভাগ ওয়েবসাইটগুলি ব্লগস্পট লিঙ্কগুলিকে ব্যাকলিঙ্কে পছন্দ করে না। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সাবডোমেন অপেক্ষা ডটকম অথবা যেকোনো ডোমেইনকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

ডোমেন নাম কি?

একটি ডোমেন নাম আপনার ওয়েবসাইটের নাম। একটি ডোমেন নাম ঠিকানা যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা আপনার ওয়েবসাইটে অ্যাক্সেস করতে পারে। একটি ডোমেন নাম ইন্টারনেটে কম্পিউটারগুলি সন্ধান এবং সনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটারগুলি আইপি ঠিকানা ব্যবহার করে, যা সংখ্যার একটি সিরিজ। তবে সংখ্যার স্ট্রিং মনে রাখা মানুষের পক্ষে কঠিন। এই কারণে, ডোমেন নামগুলি আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার না করে ইন্টারনেটে সত্তা সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল।

একটি ডোমেন নাম হ'ল অক্ষর এবং সংখ্যাগুলির যে কোনও সংমিশ্রণ হতে পারে এবং এটি বিভিন্ন ডোমেন নাম এক্সটেনশনের সংমিশ্রণে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন। কম,। নেট এবং আরও অনেক কিছু।

ডোমেন নামটি ব্যবহার করার আগে অবশ্যই নিবন্ধভুক্ত হতে হবে। প্রতিটি ডোমেইনের নাম অনন্য। কোনও দুটি ওয়েবসাইটে একই ডোমেন নাম থাকতে পারে না। যদি কেউ www.rakibtech.com এ টাইপ করেন তাহলে এটি এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে এই ওয়েবসাইট ব্যতীত অন্য কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশের সুযোগ নেই।

একটি ডোমেন নামের দাম সাধারণত প্রতি বছর ৮০০-১২০০  টাকা এর মধ্যে থাকে। আপনার ডোমেন নামের পেশাদার ইমেলগুলি আপনাকে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে এবং আপনার ব্র্যান্ডটি তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে। প্রথম বছরের জন্য মাত্র ২০০ টাকা দিয়ে আপনি ডটকম ডোমেইন কিনতে পারবেন এবং এর সাহায্যে আপনি একটি কাস্টম ডোমেন নামের মালিক হতে পারেন। এজন্য আপনাকে প্রমোশনাল কোড ইউজ করতে হবে Godaddy  এর প্রমোশনাল কোড কমেন্ট বক্সে দেওয়া থাকবে।

এই পোস্টটিতে ব্লগস্পটে কাস্টম ডোমেইন সেট করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি আলোচনা করা হবে। প্রথমে ব্লগস্পটের জন্য একটি ডোমেইন কিনতে হবে। আপনার যদি ডোমেন না থাকে, আপনার কাছে বার্ষিক ৮০০-১২০০  টাকা ব্যয় সহ যে কোনও সরবরাহকারীর থেকে একটি ডোমেন কিনতে হবে। আমি .info, .org ,.xyz এর পরিবর্তে .com ডোমেন কেনার পরামর্শ দেব। এখানে বিভিন্ন ধরন ডোমেন প্রোভাইডারের লিংক দেওয়া হল:



 এসব ওয়েবসাইট থেকে আপনি মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে অথবা পেপাল একাউন্ট এর মাধ্যম খুব সহজে ডোমেইন কিনতে পারবেন। উপরের  ওয়েবসাইটগুলো থেকে যেকোন একটিতে প্রবেশ করে আপনার কাঙ্খিত ডোমেইনটি সার্চ দিতে হবে। আপনার ডোমেইনটি যদি ফাঁকা থাকে তাহলে আপনি সেটি কিনে নিতে পারবেন। এজন্য উক্ত ওয়েবসাইটে আপনাকে একটি একাউন্ট খুলতে হবে।

.com, .info, .net, Domain, get free domain for blogger, how to add custom domain to blogger 2020, blogger dns nameservers, hosting blogspot, how to redirect blogger to custom domain


এটি খুবই সহজ তাই এই বিষয়ে আলোচনা করলাম না। একাউন্ট খোলার পর লগ ইন করতে হবে। আপনার কাংখিত ডোমেইন টিকে সার্চ দিয়ে অ্যাড টু কার্ড এ ক্লিক করতে হবে। তারপর চেক আউট এ ক্লিক করে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে আপনার ডোমেইন এডমিন প্যানেলে প্রবেশ করতে পারবেন। আপনি যদি বিকাশ দিয়ে ডোমেইন কিনতে চান তাহলে এখান থেকে কিনতে পারবেন। ৬০০ টাকা দিয়ে এই ওয়েবসাইট থেকে আপনি ডটকম ডোমেইন কিনতে পারবেন। ব্লগস্পটে কীভাবে একটি বিনামূল্যে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন দেখতে এখানে ক্লিক করুন।


.com, .info, .net, Domain, get free domain for blogger, how to add custom domain to blogger 2020, blogger dns nameservers, hosting blogspot, how to redirect blogger to custom domain


আমি এখন ধরে নিলাম আপনার কাছে নিম্নলিখিত দুটি জিনিস প্রস্তুত রয়েছে।
১. ব্লগস্পট ওয়েবসাইট
২. অ্যাক্টিভ  ডোমেইন

.com, .info, .net, Domain, get free domain for blogger, how to add custom domain to blogger 2020, blogger dns nameservers, hosting blogspot, how to redirect blogger to custom domain


Blogger.com এ লগইন করুন এবং সেখান থেকে আপনার ব্লগস্পট ব্লগটি নির্বাচন করুন। সেটিংস-> বেসিক স্ক্রিনে যান। প্রকাশনা বিভাগের অধীনে আপনার ব্লগ লিঙ্কটির জন্য একটি তৃতীয় পক্ষের ইউআরএল সেটআপ ক্লিক করুন। এখানে আপনার ক্রয় করা ডোমেন নাম যুক্ত করতে হবে। www ঠিকানার সাথে ডোমেনের নাম যুক্ত করুন, নীচের স্ক্রিনশটটি দেখুন I আমি www.rakkibtech.com এর মতো ডোমেন নাম যুক্ত করেছি। সেভ বোতাম টিপুন।

.com, .info, .net, Domain, get free domain for blogger, how to add custom domain to blogger 2020, blogger dns nameservers, hosting blogspot, how to redirect blogger to custom domain


আপনি যখন সংরক্ষণ বোতাম টিপেন,  তখন আপনি একটি  এরর দেখতে পাবেন।  আপনার ডোমেইনকে ব্লগস্পট ভেরিফাই করতে পারেনি তাই এই এররটি  প্রদর্শিত হবে। আপনাকে কাস্টম ডোমেনের এর এডমিন প্যানেলে ডোমেনটি কনফিগার করতে হবে। ব্লগস্পটে ডোমেইনে অ্যাড করার জন্য দুটি CNAME  দেওয়া থাকবে,  ডোমেইন এর এডমিন প্যানেল থেকে DNS সেটিং এ গিয়ে CNAME  দুটি অ্যাড করতে হবে, তারপর A তে নিচের চিত্রের মত আইপি এড্রেস গুলো অ্যাড করে নিতে হবে। তারপর সেভ এ ক্লিক করতে হবে।

.com, .info, .net, Domain, get free domain for blogger, how to add custom domain to blogger 2020, blogger dns nameservers, hosting blogspot, how to redirect blogger to custom domain



ব্লগস্পটে ডোমেন ভেরিফাই করতে  ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই সময় পর ব্লগে কাস্টম ডোমেইন অপশনে আপনার কাঙ্খিত ডোমেইনটি টাইপ করার পর সেভ এ ক্লিক করলে  আপনার ডোমেইনটি ব্লগের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে।

আশা করি আপনারা যদি সকল  ধাপগুলো সঠিকভাবে করে থাকেন তাহলে আপনার ব্লগে আপনি একটি কাস্টম ডোমেইন যুক্ত করতে পারেন। আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে  জানাবেন আমি আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য চেষ্টা করব।

ব্লগস্পটে কীভাবে একটি বিনামূল্যে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন



ব্লগস্পটে কীভাবে একটি বিনামূল্যে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন:

এই আর্টিকেলটি  আপনাকে ব্লগস্পটে একটি ফ্রি ওয়েবসাইট তৈরি করতে সহায়তা করবে , আপনার ডোমেন এবং হোস্টিং পরিষেবা কেনার দরকার নেই। ব্লগস্পট এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা আপনাকে  বিনা খরচে  ওয়েবসাইট তৈরি এবং হোস্ট করার অনুমতি দেয়, এটি গুগলের মালিকানাধীন যাতে আপনাকে সার্ভার ডাউন সময় এবং অন্যান্য সমস্যা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। এখানে হাজার হাজার ফ্রি ব্লগার টেম্পলেট রয়েছে যা আপনি আপনার ওয়েবসাইটে প্রফেশনাল চেহারা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারেন। আসুন বিনা খরচে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ধাপে ধাপে  শুরু করা যাক -

১. ব্লগারে লগইন করুন: 

এখানে ক্লিক করুন এবং আপনার জিমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন ইন করুন , যদি আপনার কোনও অ্যাকাউন্ট না থাকে তবে আপনি উপরের ডানদিকে "সাইন আপ" বোতামটি ক্লিক করে এটি বিনামূল্যে তৈরি করতে পারেন নীচের স্ক্রিনশটে প্রদর্শিত কর্নার হিসাবে। ব্লগার গুগলের অন্তর্ভুক্ত যার কারণে আপনার ব্লগস্পটে একটি ওয়েবসাইট তৈরির জন্য জিমেইল অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হবে।

Bangla Blogger, How can I write Bengali in Blogger, How do I create a free blog site, How do u start a blog,


২. আপনার প্রোফাইল নিশ্চিত করুন:

আপনার জিমেইল  দিয়ে লগ ইন করার পরে, আপনার প্রোফাইল নিশ্চিত করুন। তারপর " ব্লগার অবিরত করুন" এ ক্লিক করুন।

. একটি নতুন ব্লগ তৈরি করুন:

একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য, নতুন ব্লগ বোতামে ক্লিক করুন।

Bangla Blogger, How can I write Bengali in Blogger, How do I create a free blog site, How do u start a blog,


৪. ওয়েবসাইটের ডোমেনের নাম এবং শিরোনাম  প্রদান করুন:

এই ধাপে, আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের শিরোনাম এবং ঠিকানা সরবরাহ করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ: আপনি যদি বই সম্পর্কিত কোনও ওয়েবসাইট বানাতে চান তবে ঠিকানা (এটি ডোমেন নাম এবং সাইটের URL হিসাবেও পরিচিত) হতে পারে mybooks.blogspot.com বা popularbooks99.blogspot.com এবং শিরোনাম সেরা বই ব্লগ হতে পারে। যেহেতু এই ডোমেনের নামগুলি সম্পূর্ণ ফ্রি, সেগুলি ডিফল্টরূপে ব্লগস্পট ডট কমের সাথে সংযুক্ত হবে। ব্লগস্পট, আমাদের কাস্টম ডোমেন নাম রাখার বিকল্পও সরবরাহ করে এবং কাস্টম ডোমেইন ইন্সটল করার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

ডোমেনের নামটি অবশ্যই অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারে তাই আপনি যে ডোমেন নামটি বেছে নিতে চান তা ইতিমধ্যে নিবন্ধীকৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে নীচের চিত্রের মতো ঠিকানা ক্ষেত্রের ডানদিকে নীল রঙের টিকটি উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে অবশ্যই অন্য একটি ডোমেন নাম চেষ্টা করতে হবে।

এটি শেষ হয়ে গেলে, একটি টেম্পলেট  চয়ন করুন আপনি এই সময়ে যে কোনও টেম্পলেট চয়ন করতে পারেন, আপনি যে কোনও সময় পরে এটি পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন, আমরা আপনাকে এটি কীভাবে করব তা দেখাব) এবং ব্লগ তৈরি করুন ক্লিক করুন।

. ব্লগিং শুরু করুন:

চতুর্থ ধাপ  সম্পন্ন করে, আপনি সফলভাবে বিনামূল্যে কোনও ওয়েবসাইটের মালিক হয়েছেন। এখন, আপনি পোস্ট / নিবন্ধ পোস্ট শুরু করতে পারেন, ব্লগিং শুরুতে ক্লিক করুন।

৬. আপনার ওয়েবসাইটে যান:

ব্রাউজারে আপনার ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিন এবং এন্টার টিপুন। আপনাকে এমন একটি ওয়েবসাইট উপস্থাপন করা হবে, যা আপনার নিজের। প্রাথমিকভাবে, আপনি চেহারা এবং লেআউট পছন্দ করতে পারেন না তবে আমরা টিউটোরিয়ালটি এখনও শেষ করতে পারি নি, আমরা আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটটি  ভালো ভাবে তৈরি করার করার প্রতিটি  উপায় দেখাব, যাতে এটি সুন্দর এবং পেশাদার দেখায়।

৭. ব্লগস্পট ওয়েবসাইটে একটি পোস্ট প্রকাশ করুন:

যেহেতু আপনি ব্লগস্পটে সফলভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন, আপনি এখন আপনার নতুন ওয়েবসাইটে পোস্ট করতে শুরু করতে পারেন। নীচের স্ক্রিনশটটি দেখুন। লিখিত সামগ্রী, শিরোনাম এবং পোস্টটি প্রকাশের জন্য প্রকাশিত বাটনে হিট করুন।

Bangla Blogger, How can I write Bengali in Blogger, How do I create a free blog site, How do u start a blog,



৮. ব্লগস্পটে কাঙ্ক্ষিত পার্মালিঙ্ক কিভাবে তৈরি করবেন:

এর মাধ্যমে আপনার পোস্টের জন্য লিংক তৈরি করে দিতে পারবেন। পারমালিংক কী তা আপনি ভাবতে পারেন এটি আপনার পোস্ট / নিবন্ধের একটি লিঙ্ক (ঠিকানা, যা আপনি নিজের পোস্টগুলি দেখতে ব্রাউজারে প্রবেশ করেন)। আপনি কোনও পোস্ট লেখার সময় দুটি বিকল্প উপলব্ধ।

স্বয়ংক্রিয় পারমালিঙ্ক: শিরোনাম বিভাগে প্রদত্ত শিরোনামের ভিত্তিতে ব্লগার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বর্তমান পোস্টের জন্য পারমালিঙ্ক উত্পন্ন করবে।

কাস্টম পারমিলিংক: এর মাধ্যমে আপনার পোস্টের জন্য কাস্টম লিংক তৈরি করা যাবে। এস ই ও এর জন্য কাস্টম পার্মালিনক বিশেষভাবে উপযোগী।

Bangla Blogger, How can I write Bengali in Blogger, How do I create a free blog site, How do u start a blog,


৯. আপনার ওয়েবসাইটের চেহারা পরিবর্তন করুন:

আপনি আপনার ওয়েবসাইটের চেহারা পরিবর্তন করতে পারেন, আপনি ওয়েবসাইটের টেমপ্লেট পরিবর্তন করে খুব সহজেই এটি করতে পারেন। টেমপ্লেট এ ক্লিক করুন ব্লগার কতগুলো টেমপ্লেট দেওয়া থাকে এখান থেকে আপনার পছন্দের টেমপ্লেটটি নির্বাচন করতে হবে। এইসব টেমপ্লেট  ছাড়াও ইন্টারনেটে আপনি অনেকদিন  ফ্রী এবং পেইড টেমপ্লেট পাবেন যে গুলো আপনার  ব্লগার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে আপনার  ওয়েবসাইটের চেহারা পরিবর্তন করতে পারবেন। আমরা সেই ওয়েবসাইটটির কয়েকটি পরের অংশে  শেয়ার করব। বিদ্যমান টেম্পলেট ব্যাকআপ ডাউনলোড করুন এবং ব্লগারে নতুন টেম্পলেট আপলোড করুন।
ব্লগস » টেমপ্লেটে যান , আপনি একটি ব্যাকআপ / পুনরুদ্ধার বোতামটি পাবেন, নীচের স্ন্যাপশটে প্রদর্শিত হিসাবে এটিতে ক্লিক করুন। পরের অপশনে আপনাকে একটি ব্লগার  টেমপ্লেট আপলোড করতে হবে।

Bangla Blogger, How can I write Bengali in Blogger, How do I create a free blog site, How do u start a blog,



১০. ব্লগারের বাইরে ফ্রী টেমপ্লেটগুলি সন্ধান করুন:

আপনি যদি ব্লগার লাইব্রেরিতে কোনও উপযুক্ত ওয়েবসাইটের টেম্পলেট খুঁজে না পান তবে আপনি  বিনামূল্যে টেমপ্লেটগুলি পেতে পারেন এখান থেকে, বিকল্প হিসাবে আপনি নিজেই বিনামূল্যে "Blogger Template” সন্ধান করতে পারেন গুগলে । টেমপ্লেটটি নির্বাচন করুন এবং ওয়েবসাইট থেকে জিপ ফাইল ডাউনলোড করুন। জিপ ফাইলটি বের করুন, এক্সট্র্যাক্ট ফোল্ডারে আপনি একটি এক্সএমএল ফাইল পাবেন, এটি ব্লগস্পটে টেমপ্লেট আপলোড করার সময় আপনার প্রয়োজন হবে। নতুন টেম্পলেট আপলোড করুন, ব্যাকআপ / পুনরুদ্ধার বোতামটি ক্লিক করার পরে, আপনি পর্দার নীচে পাবেন। এখান থেকে, আপনি বিদ্যমান টেমপ্লেটের ব্যাকআপ ডাউনলোড করতে এবং নতুন টেমপ্লেট আপলোড করার জন্য, এক্সএমএল ফাইল ব্রাউজ করতে এবং আপলোড ক্লিক করতে পারেন । এটি আপনাকে উইজেটগুলির জন্য জিজ্ঞাসা করতে পারে, কিপ উইজেটগুলিতে ক্লিক করুন

১১. নেভিগেশন বারের চেহারা পরিবর্তন করুন:

সাইডবার থেকে লেআউট বিভাগে যান এবং নেভিগেশন  বিভাগে সম্পাদনা ক্লিক করুন। আপনার প্রয়োজনীয় চেহারা এবং স্টাইলটি নির্বাচন করুন এবং সংরক্ষণ করুন!

১২. ফ্যাভিকন আপনার ওয়েবসাইটে যুক্ত করুন:

ফ্যাভিকন একটি ক্ষুদ্র চিত্র যা একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট খোলার সময় আপনি ব্রাউজারের ট্যাবে দেখতে পারেন। ডিফল্ট ব্লগস্পটের ফ্যাভিকন পরিবর্তন করতে নীচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন -

বিন্যাস >> সম্পাদনা>> ফ্যাভিকন

১০০ কেবি এর চেয়ে কম আকারের বর্গ চিত্র চয়ন করুন এবং এটি আপলোড করুন। আপনি যখনই বিন্যাস বিভাগে কোনও পরিবর্তন করেন, ব্যবস্থা সংরক্ষণ করতে ভুলবেন না।

১৩. আপনার ওয়েবসাইটে গ্যাজেট যুক্ত করুন:

আপনি নেভিগেশন মেনুর নীচে এবং ফুটার অংশে ব্লগের সাইডবারে গ্যাজেটগুলি যুক্ত করতে পারেন। আপনি যখনই লেআউট বিভাগে অ্যাড গ্যাজেট বোতামটি ক্লিক করেন তখন একটি পপআপ উইন্ডো আসে যেখানে আপনি ব্রাউজ করতে এবং গ্যাজেটগুলি যুক্ত করতে পারেন। সেটিংস সংরক্ষণ করতে ভুলবেন না।

১৪. একটি কাস্টম ডোমেনে যুক্ত করুন:

উপরে আমরা দেখেছি আমরা কীভাবে একটি ফ্রী ব্লগস্পট ডোমেন তৈরি করতে পারি যা ব্লগস্পট কীওয়ার্ডের সাথে যুক্ত হয়েছিল, তবে আপনি যদি চান তবে আপনি নিজের পছন্দের একটি কাস্টম ডোমেন কিনতে পারেন এবং সেটিংস-বেসিকটিতে এটি যুক্ত করতে পারেন । একটি কাস্টম ডোমেন যুক্ত করতে এখানে ক্লিক করুন

১৫. আপনার ওয়েবসাইটের ট্র্যাফিকের পরিসংখ্যান:

পরিসংখ্যান »ওভারভিউ
ব্লগার আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিকের পরিমাণ জানার জন্য পরিসংখ্যান নামে একটি সেবা প্রদান করেছেএটি আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে জৈব ট্র্যাফিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

১৬. কাস্টম রোবটস টেক্সট:

আপনি যদি নতুন হন তবে এটি আপনার কাছে বেশ নতুন জিনিস হতে পারে ! robots.txt একটি ফাইল যা সার্চইঞ্জিন দ্বারা উল্লেখ করা হয়। আপাতত, আমি আপনাকে বিভ্রান্ত করতে চাই না। প্রয়োজনে আপনার robots. txt ফাইলটি সম্পাদনা করতে পারেন এমন জায়গাটি জানতে এখানে আমি এটি কেবল তুলে ধরেছি ।

১৭. ওয়েবসাইট থেকে অর্থ উপার্জন করুন:

এখন সবকিছু নিখুঁতভাবে সেট আপ করা হয়। আপনি ব্লগিং শুরু করতে পারেন এবং একবার আপনি নিজের ওয়েবসাইটে ধীরে ধীরে  ট্র্যাফিক পেতে শুরু করলে, আপনি এখনই আপনার ব্লগস্পট ড্যাশবোর্ড থেকে অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি ব্লগার এর সাহায্য অর্থ  উপার্জন করতে  পারবেন।

শেষ কথা:

এই মুহুর্তে, আপনার যদি এ বিষয়ে কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আমাদের জানান। নীচে একটি মন্তব্য ফেলে আপনার মতামত শেয়ার করুন। আমি নিশ্চিত যে উপরের ধাপে ধাপে গাইড অনুসরণ করে আপনি বিনামূল্যে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে সক্ষম হবেন, আমি আপনার নতুন ওয়েবসাইটের জন্য শুভ কামনা করছি। আপনি যদি টিউটোরিয়ালটি পছন্দ করেন তবে এটি আপনার বন্ধুদের সাথে ফেসবুক এবং টুইটারে শেয়ার করুন।



কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধের উপায়।

how to detect virus in computer, how can i delete virus from my computer without antivirus?, how to remove virus from laptop windows 10, how to check if my computer has a virus, virus scanner, anti virus

কম্পিউটার ভাইরাস কি :

কম্পিউটার ভাইরাস এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম, যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন ধরনের তথ্য কপি করে অথবা তথ্যগুলো পরিবর্তন করে। কম্পিউটার ভাইরাস এমন এক ধরনের প্রোগ্রাম যা খুব সহজেই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে যেতে পারে। কম্পিউটার ভাইরাস পেনড্রাইভ, ইন্টারনেট, সফটওয়্যার, ফ্লপি ডিস্ক ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হয়। কম্পিউটার ভাইরাস এমন ধরনের প্রোগ্রাম  যা কম্পিউটারে রান হওয়ার পর নিজেকে সুপ্ত অবস্থায় রাখে  ফলে ব্যবহারকারী এই প্রোগ্রামটিকে সহজে সনাক্ত করতে পারেন না। কম্পিউটার ভাইরাস কোন নেটওয়ার্কের সিস্টেম ফাইল গুলোতে সংক্রমিত হতে পারে ফলে ওই নেটওয়ার্ক যতগুলো কম্পিউটার ব্যবহার করবে সকলেই ওই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। কম্পিউটার ভাইরাস কোন পিসিতে  আক্রমণ করার পর  ওই পিসি যাবতীয় ফাইলসমূহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ফলে ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই যেকোনো ধরনের তথ্য চুরি করতে পারে।

ভাইরাস বিভিন্ন ধরনের হয়ে, থাকে কিছু ভাইরাস তৈরী করা হয় কম্পিউটারের যাবতীয় ফাইল মুছে ফেলার জন্য, কিছু কিছু ভাইরাস তৈরী করা হয় কম্পিউটারের তথ্য চুরি করার জন্য, কিছু ভাইরাস তৈরী করা হয় ব্যবহারকারীকে বিরক্ত করার জন্য। সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ক্ষতি সাধন করে থাকে কারণ সাধারণ ব্যবহারকারী কম্পিউটার ভাইরাস সহজে যে নির্মূল করতে পারে না। কম্পিউটার ভাইরাস সাধারণ প্রোগ্রাম এর মত মেমোরি কার্ড এ জায়গা দখল করে এবং প্রোগ্রামগুলো সবসময় রান অবস্থায় থাকে,  যার ফলে কম্পিউটারের স্পিড কমে যায়। কম্পিউটার ভাইরাস একজন ব্যবহারকারীর সকল তথ্য দুষ্কৃতিকারীদের কাছে পৌঁছে দিতে পারে।


কম্পিউটার ভাইরাসের প্রকারভেদ:

১. বুট সেক্টর ভাইরাস (Boot Sector Virus)
 ২. ডিরেক্ট একশন ভাইরাস (Direct Action Virus)
৩. রেসিডেন্ট ভাইরাস  (Resident Virus)
৪. মাল্টিপারটাইল  ভাইরাস (Multipartite Virus)
৫.পলিমারফিক ভাইরাস (Polymorphic Virus)
৬. ওভার রাইট ভাইরাস  (Overwrite Virus)
৭. স্পেসফিলার ভাইরাস (Spacefiller Virus)


কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে  ছড়ায় :

পেনড্রাইভ: অফলাইন পদ্ধতিতে কম্পিউটার ভাইরাস সবচেয়ে বেশি  সংক্রমিত হয় পেনড্রাইভ  ব্যবহারের মাধ্যমে। ভাইরাস আক্রান্ত কোন কম্পিউটারে পেনড্রাইভ প্রবেশ করালে উক্ত  ভাইরাসটি  পেনড্রাইভ এর মধ্যে কপি হয়, যখন অন্য কোন কম্পিউটারে এই পেনড্রাইভ প্রবেশ করানো হয় তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাইরাসটি  পিসিতে রান হয় এবং  ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়। এজন্য পেনড্রাইভ ওপেন করার পূর্বে অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম দ্বারা স্ক্যান করে নিতে হবে। ভাইরাস পেনড্রাইভ এর মধ্যে অটোরান ফাইল তৈরি করে যার ফলে পেনড্রাইভ প্রবেশ এর সাথে সাথে  ফাইলটি রান হয়ে যায়।

ইন্টারনেট: কম্পিউটারে যতগুলো মাধ্যমে ভাইরাস স্থানান্তরিত হয় তার মধ্যে ইন্টারনেট অন্যতম।নতুন নতুন  ভাইরাস তৈরি করার পর বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ছরিয়ে দেওয়া। হয়  যখন কেউ  ভাইরাসযুক্ত ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে তখন ভাইরাসটি  স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং কম্পিউটারে সংক্রমিত হয়।

সফটওয়্যার: বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারের সংক্রমিত হতে পারে। ইন্টারনেটে বিভিন্ন  সফটওয়্যার এর ক্রাক, প্যাঁচ, কী-জেন পাওয়া যায়। এসব সফটওয়্যার এরমধ্যে ভাইরাস যুক্ত থাকতে পারে, ফলে  কম্পিউটারে এসব সফটওয়্যার ব্যবহার করলে কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়। অনেকে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার কিনতে পারে না  ফলে তারা ক্রাক, প্যাঁচ, কী-জেন ব্যবহার করে, তাই ক্রাক, প্যাঁচ, কী-জেন ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকতে হবে  যেন এরমধ্যে ভাইরাস না থাকে।

ফ্লপি ডিস্ক: ফ্লপি ডিস্ক এরমধ্যে ভাইরাস রাইট করলে এবং এই ফ্লপি ডিস্ক কম্পিউটারে প্রবেশ করালে কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করে।


কম্পিউটার ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ:

কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ দেখা যায় যেমন :
 ১.  কম্পিউটারের  স্পীড কমে যাওয়া ,
২. কম্পিউটার হ্যাং করা ,
৩. কম্পিউটার  বিনা কারণে  রিস্টার্ট নেওয়া ,
৪. বিভিন্ন ধরনের অ্যাড প্রদর্শিত হওয়া,
৫.কম্পিউটারের সি পি ইউ ইউজ  বৃদ্ধি পাওয়া,
৬.স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার ইন্সটল হওয়া,


how to detect virus in computer, how can i delete virus from my computer without antivirus?, how to remove virus from laptop windows 10, how to check if my computer has a virus, virus scanner, anti virus



কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় :

এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা : কম্পিউটারের ভাইরাস সরানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার পাওয়া যায়। এইসব সফটওয়্যার  ব্যবহারের মাধ্যমে কম্পিউটার ভাইরাস সরানো যায়।এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার খুব সহজে ভাইরাসগুলোকে শনাক্ত করতে পারে এবং কম্পিউটার কে  ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করে। এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নতুন নতুন ভাইরাস শনাক্ত করার জন্য  আপডেট দেওয়া  হয়ে থাকে। নিচে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিভাইরাস এর নাম দেওয়া হল:


প্রোগ্রাম মুছে ফেলা: কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর  প্রোগ্রামসমূহকে চিহ্নিত করে আনইন্সটল করতে হবে। কোন সফটওয়্যার সম্পর্কে সন্দেহ থাকলে ইন্টারনেটে  রিসার্চ এর মাধ্যমে ওই সফটওয়্যার সম্পর্কে জানতে হবে। ক্ষতিকর সফটওয়্যার গুলো কে কম্পিউটারের মেমোরি থেকে মুছে ফেলতে হবে।

অপারেটিং সিস্টেম  পুনরায় ইনস্টল করা: কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত করার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল অপারেটিং সিস্টেম পুনরায় ইনস্টল করা। কম্পিউটারের মেমোরিকে  ফরমেট দিয়ে অপারেটিং সিস্টেম পুনরায় ইনস্টল করলে যেকোনো ধরনের ভাইরাসের হাতথেকে রক্ষা পাওয়া যায়।



কিভাবে হারানো ফোন খুঁজে পাব।



How to find lost phon, how to track lost mobile with imei number,  how to locate a lost cell phone that is turned off, find my phone location by number, how to find someone's location by cell phone number



কিভাবে হারানো ফোন খুঁজে পাব :

আপনি আপনার ফোনটি হারিয়েছেন এবং যেকোন ভাবে আপনি আপনার ফোনটি ফেরত পেতে চান। তাহলে সম্পূর্ণ পোস্টটিতে আপনি আমাদের সাথে থাকুন। একটি অনুসন্ধানে দেখা গেছে পৃথিবীতে প্রতিবছর ৭০ মিলিয়ন লোক তাদের ফোন হারায়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ফোনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফোন ছাড়া আমরা আমাদের আধুনিক জীবন কল্পনা করতে পারিনা। প্রতিদিন বিভিন্ন কাজে আমরা ফোন ব্যবহার করে থাকি।

হারানো ফোন খুঁজে পাওয়ার বিভিন্ন ধরনের উপায় রয়েছে। নিচে সেগুলো আলোচনা করা হলো। আপনার ফোনটি যদি অ্যান্ড্রয়েড অথবা আইফোন হয় তবে হারানো ফোনটি খুঁজে পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার এরমধ্যে পূর্বেই ইন্সটল করা থাকে। এখন এই সম্পর্কে আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করব :



find my lost phone, find my phone by number, find my device app, find my device facebook, google find my device unlock, find my phone location by number, track my phone



অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার:

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত সকল ফোনে ইতিপূর্বে ইন্সটল করে দেওয়া থাকে। আপনি যখন ফোনের জিমেইল লগইন করেন তখন এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়। এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার হারানো ফোন খুঁজে পেতে পারেন। এই সেবাটি পাওয়ার জন্য আপনার ফোনের ইন্টারনেট কানেকশন চালু থাকতে হবে। আপনার ফোনের ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ থাকলে আপনি এই সেবাটি ব্যবহার করতে পারবেন না। যেসব ফোনে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার পূর্বে থেকে ইন্সটল করা নেই  সেই সকল ফোনে খুব সহজে এটি ইনস্টল করা যায়। এজন্য গুগোল  প্লে  স্টরে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার লিখে সার্চ দিতে হবে তারপর ইনস্টল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তারপর নেক্সট এ ক্লিক করে  অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার ইন্সটল করতে হবে।

আপনার ফোনটি হারিয়ে গেলে অথবা খুঁজে না পাওয়া গেলে। হারানো ফোন খুঁজে পাওয়ার জন্য এজন্য অন্য একটি ডিভাইস দিয়ে আপনার জিমেইলে লগইন করতে হবে। লগইন হওয়ার পর এই লিংকে প্রবেশ করতে হবে তখন এরকম একটি পেজ ওপেন হবে।


find my lost phone, find my phone by number, find my device app, find my device facebook, google find my device unlock, find my phone location by number, track my phone



এখান থেকে আপনার ফোনের মডেল টি সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করার পর এখান থেকে রিং অথবা রিকভার অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে। সেখানে লোকেট নামে একটি অপশন পাবেন। এভাবে আপনি আপনার ফোনের লোকেশন বের করতে পারবেন।
এই সফটওয়্যার এর সাহায্যে জিপিএস এর মাধ্যমে ফোনের সঠিক লোকেশন বের করা সম্ভব। আমি আমার ফোনের মডেল সিলেক্ট করার পর গেট লোকেশন অপশনে ক্লিক করলে গুগোল ম্যাপের সাহায্যে  এটি আমার ফোনের বর্তমান অবস্থা দেখাচ্ছে। এভাবে আপনি আপনার ফোনের বর্তমান লোকেশন বের করতে  পারবেন। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার এর মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনের সকল তথ্য মুছে ফেলতে পারবেন অথবা ফোনটিকে লক করতে পারবেন।

আইফোন এর ক্ষেত্রে আপনি আপনার অ্যাপেল আইডির মাধ্যমে আপনার ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে অ্যাপেলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে সেখানে লগইন এরপর  ফোনের লোকেশন বের করা যাবে।





ফোন হারানোর পূর্বে করণীয়:

আপনার মূল্যবান ফোনটি হারিয়ে গেলে খুঁজে পাওয়ার জন্য পূর্বের কিছু সফটওয়্যার ইনস্টল করা প্রয়োজন। নিচে কয়েকটি সফটওয়্যার এর নাম দেওয়া হল :

1. Android Device Manager
2. Avast Antivirus – Mobile Security & Virus Cleaner
3. Prey Anti Theft: Find My Phone & Mobile Security
4. Cerberus Mobile
5. Bitdefender Mobile Security & Antivirus


এই সফটওয়্যার গুলোর যেকোনো একটি আপনার ফোনে ইন্সটল করতে হবে। গুগল প্লেস্টোর থেকে সহজে আপনি সফটওয়্যার গুলো ইন্সটল করে নিতে পারবেন। আপনার ফোনে নতুন সিম কার্ড প্রবেশ করালে আপনার নির্ধারিত নাম্বারে  স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বার্তা প্রদান করবে এরকম সফটওয়্যার ইন্সটল করতে হবে। আপনার ফোনটি যদি চুরি হয়ে, যায় এবং চোর  যদি সেই ফোনের মধ্যে নতুন সিম কার্ড প্রবেশ, করে তাহলে নির্ধারিত নাম্বারে  সংক্রিয়ভাবে একটি বার্তা চলে যাব। এর মাধ্যমে চোরের  ফোন নাম্বার টি পাওয়া যাবে। নিচে কয়েকটি সফটওয়্যার এর নাম দেওয়া হল :

1. Sim Change Alert,
2. SIM Card Change Notifier,
3. Anti-Theft Alarm,


আই এম আই পদ্ধতি :

আই এম আই নাম্বার হলো আপনার ফোনের আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার। প্রত্যেকটি  ফোনের একটি  নির্দিষ্ট আই এম আই নাম্বার থাকে। বিভিন্ন ফোনের জন্য এই নাম্বার বিভিন্ন হয়ে থাকে। আপনার ফোনটি যদি চুরি হয়ে যায় অথবা হারিয়ে যায় তবে থানায়  এই আই এম আই নাম্বারের মাধ্যমে একটি জিডি করেন। ফলে যদি কেউ ফোনটি পায় এবং পরে ফোনে যদি নতুন সিম কার্ড প্রবেশ করায় তাহলে পুলিশ এই আই এম আই নাম্বারের মাধ্যমে ওই সিম কার্ডের নাম্বার শনাক্ত করতে পারবে এবং সিম কার্ড এর মাধ্যমে এই ব্যক্তির বর্তমান অবস্থান নির্ধারণ করতে পারবে।  প্রত্যেকটা ফোনের সাথে একটি বক্স দেওয়া হয়। বক্সে আপনার ফোনের  আই এম আই  নাম্বার দেওয়া থাকে সেখান থেকে আপনি আপনার ফোনের আই এম আই নাম্বার টি সংগ্রহ করতে পারেন। এভাবে আই এম আই নাম্বার ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি  আপনার হারানো ফোনটি ফিরে পেতে পারেন তবে এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী পদ্ধতি।


 আপনার ফোনটি খুজে না পেলে করণীয় :

আপনি যদি আপনার ফোনটিকে খুঁজে না পান তবে অন্য নাম্বার  থেকে আপনার নাম্বার একটা ফোন দিন এর মাধ্যমে আশেপাশে ফোনটি থাকলে আপনি বুঝতে  পারবেন। আর যদি ফোন রিং হওয়ার পর রিসিভ না করে ফোন বন্ধ করে তবে বুঝতে হবে ফোনটি কেউ চুরি করেছে। তখন আপনার ফোনের আই এম আই  নাম্বারের মাধ্যমে নিকটস্থ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।